• ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২৩শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুললে ব্যাংক হিসাব তলব করা হচ্ছে : হাসনাত আব্দুল্লাহ

Usbnews.
প্রকাশিত অক্টোবর ২, ২০২৬
সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুললে ব্যাংক হিসাব তলব করা হচ্ছে : হাসনাত আব্দুল্লাহ
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে নিয়ে বিস্তর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে নিয়ে বিস্তর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৭ টা ৪০ মিনিটের দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি তিনি লেখেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে ১ কোটি টাকা ঘুস নেওয়ার অভিযোগে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দুর্নীতি মামলায় ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন। পাশাপাশি ১ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়েছিল। জরিমানার টাকা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি লেখেন, ২০০৮ সালে তার বিরুদ্ধে আরেকটি দুর্নীতি মামলায় ১৩ বছরের সাজা হয়েছিল। অবৈধভাবে ৪ কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে। ১০ বছরের ও ৩ বছরের সাজা মিলিয়ে ১৩ বছর হয়েছিল। এছাড়াও, চকরিয়ায় মাছের ঘের দখলের দুটি মামলাও ছিল সালাহউদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে। বিএনপি ক্ষমতা ছাড়ার পর ২০০৭ সালে মামলাটি করা হয়েছিল। দুই মামলা থেকেও সালাহউদ্দিন সাহেব অন্তর্বর্তী সরকারের খালাস পান।

হাসনাত আরও লেখেন, এখন বিএনপির সময়ে দুদকসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনেকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হচ্ছে। সেটির অংশ হিসেবে বিএফইউআইয়ের মাধ্যমে সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংকের হিসাব চাওয়া হয়েছে। রাষ্ট্র যে কারো ব্যাংক হিসাব চাইতেই পারে। কিন্তু বিষয়টি তখন উদ্বেগজনক হয়, যখন সরকারের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুললে ব্যাংক হিসাব তলব করা হচ্ছে। যদি রাষ্ট্রীয় কল্যাণের জন্যই ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়, তাহলে প্রত্যেক এমপি-মন্ত্রীর ব্যাংক হিসাবও তলব করা হোক।

হাসনাত আব্দুল্লাহ লেখেন, সালাহউদ্দিন আহমদ ‘৮৫ বিসিএস ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা ছিলেন। সরকারি চাকরিজীবি হওয়ায়, ১৯৯৬ সালে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে ব্যবসা করার সুযোগ তার ছিল না। = সিনিয়র সহকারী সচিব পদ থেকে যখন তিনি চাকরি থেকে ইস্তফা দেন তখন মাসে বেতন ভাতা মিলিয়ে বড়জোর ৬ হাজার টাকা পেতেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো: এই বিপুল সম্পদের প্রকৃত উৎস কী, এবং তার পক্ষে কি স্বচ্ছ ও যাচাইযোগ্য হিসাব রয়েছে ? সুতরাং স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা নিশ্চিতকল্পে রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত এমপি-মন্ত্রীদের নিকটাত্মীয় ও আত্মীয়স্বজনদের ব্যাংক হিসাবও প্রতি বছর রাষ্ট্রীয় স্বার্থে তলব করা হোক। আমাকে দিয়ে তা শুরু হোক। সর্বশেষে তিনি লেখেন, দেখি, সরকারি এসব প্রতিষ্ঠান সেই সৎ সাহস দেখাতে পারে কি না!