পাকিস্তানে সরকার গঠনে সম্মত হয়েছে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ও পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)। ওই সরকারে যোগ দেবে আরও চার রাজনৈতিক দল। দলগুলো হচ্ছে- এমকিউএমপি, পিএমএল-কিউ, আইপিপি ও বিএপি। নতুন এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন পিএমএল-এন প্রধান নওয়াজ শরীফের ভাই শেহবাজ শরীফ।
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গওহার আলী খান বলেছেন, তারা সারা দেশে ১৮০টি আসনে জয়ী হয়েছেন। তারা আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবেন।
মিডিয়ার সাথে আলাপকালে গওহার খান বলেন, আদিয়ালা কারাগারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং দলের অন্যান্য নেতার সাথে আলোচনা করার পর তিনি এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, তারা ইসলামাবাদের তিনটি পার্লামেন্টারি আসনের সবগুলো নিশ্চিত করেছেন। তাছাড়া বেলুচিস্তানের চারটি অতিরিক্ত আসনও পেয়েছেন।
তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, তারা পাঞ্জাবে মোট ১১৫টি পার্লামেন্টারি আসন পেয়েছেন, সিন্ধুতে পেয়েছেন ১৬টি, খাইবার পাকতুনখাওয়ায় পেয়েছেন ৪২টি। ফলে সারা দেশে তাদের প্রাপ্ত আসন হচ্ছে ১৮০। তিনি দুঃখ করে বলেন, তাদের জয়ী প্রার্থীদের ১০০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন রুপি করে দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, পিটিআই ইতোমধ্যেই সকল সাংবিধানিক পদে প্রার্থী দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, তিনি বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী পদে তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবেন।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে আল্লাহ আমাদের গর্বিত করেছেন। জনগণ আমাদের ম্যান্ডেট দিয়েছে। তবে আমাদের ম্যান্ডেট ছিনতাই করা হয়েছে। ক্ষমতার উৎস জনগণ। আমাদের একমাত্র দাবি হবে, যে ম্যান্ডেটই দেয়া হয়েছে, তার প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে হবে।
এর আগে তাকে সমর্থন দিয়েছেন পিপিপি প্রধান বিলাওয়াল ভুট্টো। মঙ্গলবার তিনি ঘোষণা করেন যে, তার দল পিএমএল-এন দলের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থীকে সমর্থন দেবে। তবে তিনি একইসঙ্গে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার পিতা আসিফ আলী জারদারির নাম প্রস্তাব করেছেন।
নওয়াজ শরীফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন)-কে পরাজয় মেনে নিয়ে ইমরান খানকে দেশ পরিচালনার করতে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) করা একটি পোস্টে এই কথা বলেছে দলটি।