• ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৬শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৩০শে রবিউস সানি, ১৪৪৮ হিজরি

কুমিল্লায় শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন হত্যা :দুই ক্লু ধরে তদন্তে পুলিশ, মা জানালেন কেন ৬ মাস মেয়েকে স্কুলে যেতে দেননি

Usbnews.
প্রকাশিত অক্টোবর ১০, ২০২৬
কুমিল্লায়  শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন হত্যা :দুই ক্লু ধরে তদন্তে পুলিশ,  মা জানালেন কেন ৬ মাস মেয়েকে স্কুলে যেতে দেননি
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনকে (১৩) গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে এক সিএনজিচালক। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চালক সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সুমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের ব্যবহৃত আইফোনটিও উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান।

পুলিশ সুপার জানান, হত্যার কারণ বা মোটিভ অনেকটাই স্পষ্ট হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চালক সুমন হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে এবং তাজমিনের মুঠোফোনের কললিস্ট পর্যালোচনা করেও ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল ধানখেতে ধস্তাধস্তির আলামত পাওয়া গেছে। চালক সুমন একাই তাজমিনকে ধানখেতে নিয়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে বলে পুলিশের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

বাসা থেকে বেরিয়ে দুই জেলায়, এরপর কুমিল্লায় ফেরা

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ অক্টোবর বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় তাজমিন। পরিবারের সদস্যদের সে জানিয়েছিল, বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে যাচ্ছে। পরে তার মোবাইল ফোনের কললিস্ট বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে, ওই দিন সে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গিয়েছিল। পরদিন কুমিল্লায় ফিরে আবার কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৭ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে রওনা হয়ে রাতে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় নূরজাহান হোটেলের সামনে নামে তাজমিন। ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে তাকে গাড়ি থেকে একা নামতে দেখা যায়।

পরে হোটেলের আশপাশের বিভিন্ন ক্যামেরার ফুটেজে তার হাতে মোবাইল ফোন এবং কাঁধে ভ্যানিটি ব্যাগ দেখা যায়। একপর্যায়ে তাকে সড়কের দিকে চলে যেতে দেখা গেলেও এরপর তার গতিবিধি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার মতো কোনো ফুটেজ পাওয়া যায়নি।

সিএনজিতে ওঠার পর কী ঘটেছিল?

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা শহরের রেসকোর্স এলাকার বাসায় ফেরার জন্য তাজমিন একাই একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে। চালক সুমন তার হাতে থাকা আইফোন দেখতে পান। এরপর শহরের পথে না গিয়ে তিনি অটোরিকশাটি অন্য পথে নিয়ে যান বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশের দাবি, সুমন মাদকাসক্ত অবস্থায় অটোরিকশা চালাতেন। তবে ঘটনার সময় তার শারীরিক অবস্থা এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এর সম্পর্ক তদন্তের বিষয়।

তদন্তকারীদের ধারণা, আইফোনের প্রতি লোভ হত্যাকাণ্ডের অন্যতম কারণ হতে পারে। তবে হত্যার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য এবং ঘটনার পুরো বিবরণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করতে এখনো তদন্ত চলছে।

ধানক্ষেতের পাশে পড়ে ছিল সিএনজি, পরে মিলল মরদেহ

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগৎপুর গ্রামের একটি ফসলি জমি থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও জব্দ করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলের কাছে গিয়ে তারা ধানক্ষেতের পাশে অটোরিকশাটি পড়ে থাকতে দেখেন। আশপাশের ধানক্ষেতে ধস্তাধস্তি ও দৌড়াদৌড়ির আলামতও তাদের চোখে পড়ে। পরে আলামত অনুসরণ করে সামনের একটি ধানক্ষেতে মরদেহ দেখতে পান তারা। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে তাজমিনের বাবা আবদুল আলীম লালমাই থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

অটোরিকশার সূত্র ধরে গ্রেপ্তার সুমন

মরদেহের পাশ থেকে উদ্ধার করা অটোরিকশাটির নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করে এর মালিক হিসেবে লালমাই উপজেলার আবুল হাসেমকে শনাক্ত করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি জানান, অটোরিকশাটি ভাড়ায় চালাতেন মো. সুমন।

সুমন লালমাই উপজেলার বাগমারা ইউনিয়নের জয়নগর এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন। পরে তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার চট্টগ্রাম থেকে আটক করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বিকেলে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

সুমন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বাসিন্দা। কয়েক বছর আগে বিয়ের পর ঘরজামাই হিসেবে লালমাইয়ের জয়নগর গ্রামে বসবাস শুরু করেন তিনি। প্রায় এক মাস আগে পারিবারিক বিরোধের জেরে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে চলে যান বলে জানা গেছে।

আইফোনের তথ্যেই মিলবে কি সব প্রশ্নের উত্তর?

তাজমিন কেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কক্সবাজারে গিয়েছিল, সেখানে কার সঙ্গে দেখা করেছিল এবং কুমিল্লায় ফিরে কারও সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল কি না- এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। তার নতুন কিংবা পুরোনো পরিচিতদের কেউ হত্যাকাণ্ডে জড়িত কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উদ্ধার হওয়া আইফোনের কললিস্ট ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে তাজমিনের চলাফেরা এবং যোগাযোগের সূত্রগুলো যাচাই করছে পুলিশ। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজের সঙ্গে এসব তথ্য মিলিয়ে দেখা হচ্ছে, যাতে ঘটনার আগে ও পরে তার গতিবিধি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।

এ ছাড়া হত্যার আগে তাজমিন ধর্ষণের শিকার হয়েছিল কি না, তা মেডিকেল প্রতিবেদনের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার তার মরদেহ যশোরের গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান বলেন, ‘উদ্ধার হওয়া আইফোনের তথ্য, কললিস্ট, সিসিটিভি ফুটেজ এবং গ্রেপ্তার সুমনকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা চলছে। শনিবার সকাল ১০টায় সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’

তাজমিনের হাতে থাকা একটি আইফোন কি শেষ পর্যন্ত এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে প্রমাণিত হবে, নাকি তদন্তে বেরিয়ে আসবে আরও কোনো যোগসূত্র- এখন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৭ অক্টোবর) গভীর রাতে বাস থেকে নেমে কুমিল্লা শহরের রেসকোর্স এলাকার বাসায় ফেরার উদ্দেশ্যে সুমনের অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। রাত ১২টা ১৯ মিনিটে তাকে শেষবার কুমিল্লার হোটেল নূরজাহানের সামনে দেখা যায়। গভীর রাতে কিশোরীকে একা পেয়ে চালক শহরের দিকে না গিয়ে উল্টো পথে বিজরা, রসুলপুর ও শিকারীপাড়া হয়ে লালমাই উপজেলার জগতপুরের একটি ধানখেতের দিকে গাড়ি চালাতে থাকে।

একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে তাজমিনের মৃত্যুর আগের রাতের চলাচলের চিত্র পাওয়া গেছে। ছবি: সংগৃহীত

বিষয়টি বুঝতে পেরে তাজমিন চলন্ত অটোরিকশা থেকেই রাত ২টা ৫৮ মিনিটে বাবার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে লাইভ লোকেশন ও বার্তা পাঠিয়ে তাকে উদ্ধারের আকুতি জানায়। তবে গভীর রাতে ঘুমিয়ে থাকায় তার বাবা বার্তাটি দেখতে পাননি। জগতপুরের ধানখেতে পৌঁছানোর পর আত্মরক্ষার্থে তাজমিন প্রাণভয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি।

পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার জগতপুর গ্রামের ধানখেত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে তাজমিনের মরদেহ ও পাশে পড়ে থাকা অটোরিকশাটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পরিবারের সদস্যরা এসে তার মরদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল আলিম বাদী হয়ে লালমাই থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিহত জান্নাতুল তাজমিন কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তবে স্কুল কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে সে আর বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়নি। তার বাবা আব্দুল আলিম একটি ওষুধ কোম্পানিতে কর্মরত এবং পরিবার নিয়ে কুমিল্লা নগরীর রেসকোর্স এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। তাদের মূল বাড়ি যশোর সদর উপজেলার ছাতিয়াতলা গ্রামে। এর আগে গত ৪ অক্টোবর সকালে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়েছিল তাজমিন।

গ্রেপ্তার অটোচালকের তথ্যে মিললো আইফোন, দুই ক্লু ধরে তদন্তে পুলিশ

জব্দ হওয়া সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও উদ্ধার হওয়া তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোনটির সূত্র ধরে তদন্তে এগুচ্ছে পুলিশ। এরই মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে অটোরিকশাচালক মো. সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাজমিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কক্সবাজার কার সঙ্গে এবং কীভাবে গিয়েছিল এ বিষয়গুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি গ্রেপ্তার সুমনকেও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

গ্রেপ্তার সুমন চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার বাসিন্দা। তিনি কয়েক বছর আগে বিয়ে করে ঘরজামাই হিসেবে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জয়নগর গ্রামে বসবাস শুরু করেন। মাসখানেক আগে স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটির জের ধরে শ্বশুরের ঘর ভাঙচুর করে শ্বশুর ও স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে আর বাড়ি ফেরেননি। তাজমিন হত্যাকাণ্ডের পর শুক্রবার চট্টগ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোনটি শুক্রবার বিকেলে উদ্ধার করা হয়।

বান্ধবী ভালো না বলে ৬ মাস মেয়েকে স্কুলে যেতে দেননি তাজমিনের মা

কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানক্ষেত থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিনের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার এক বান্ধবীকে নিয়ে মায়ের উদ্বেগের বিষয়টি। মেয়ের বান্ধবীকে ভালো মনে না হওয়ায় প্রায় ছয় মাস তাকে স্কুলে যেতে দেননি বলে জানিয়েছেন তাজমিনের মা। মেয়ের চলাফেরা ও বন্ধুত্বের বিষয়ে সতর্ক থাকলেও শেষ পর্যন্ত মেয়েকে হারাতে হয়েছে তাকে।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তার আগেরদিন বিকেল ৪টার দিকে মেয়ের সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয় মায়ের। ওই সময়ও তিনি তাজমিনের কাছে তার বান্ধবীর নাম ও বাসার ঠিকানা জানতে চান। মেয়েকে বাসায় ফিরিয়ে আনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তোর বান্ধবীর নাম বল, বাসার ঠিকানা বল, বাসায় গিয়ে নিয়ে আসব।’ এরপর তাজমিনের সঙ্গে কী ঘটেছিল, কীভাবে সে লালমাইয়ের জগতপুর এলাকায় পৌঁছেছিল এবং তার সঙ্গে কারা ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।

তাজমিনের মা জানান, মেয়ের বান্ধবীকে নিয়ে আগে থেকেই তার সন্দেহ ছিল। এ কারণে প্রায় ছয় মাস মেয়েকে স্কুলে যেতে দেননি। মেয়েকে চোখে চোখে রাখার পাশাপাশি নিয়মিত তার খোঁজখবরও নিতেন তিনি। কিন্তু মায়ের সেই সতর্কতা ও উদ্বেগ কোনো কাজে আসেনি।

তবে যে বান্ধবীকে নিয়ে তাজমিনের মা আগে থেকেই উদ্বিগ্ন ছিলেন, তার সঙ্গে এই মৃত্যুর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তাজমিনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত করছে পুলিশ।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার সুমন হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত বলে তারা মনে করছেন। তবে তিনি একাই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন কি না, সে বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক চূড়ান্ত বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানোর কথা রয়েছে।