
এমজেড এম আলম ,সিলেট ব্যুরো প্রধান : শ্রমিক পরিবারের মেধাবী সন্তানদের উচ্চশিক্ষা, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ব্যয় বহনেও সরকার সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘শ্রমিকদের সার্বিক কল্যাণে সরকার কাজ করছে। অসুস্থ ও দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের চিকিৎসা সহায়তার পাশাপাশি শ্রমিক পরিবারের মেধাবী সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ বহনে সরকার সহযোগিতা করবে।’
শ্রমিক পরিবারের মেধাবী সন্তানদের উচ্চশিক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ব্যয় বহনেও সরকার সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। পাশাপাশি অসুস্থ ও দুর্ঘটনায় আহত-নিহত শ্রমিক এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা জানান তিনি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৩৪তম পরিচালনা বোর্ড সভায় অনুমোদিত অসুস্থ ও দুর্ঘটনায় আহত-নিহত শ্রমিক এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় শ্রমিকদের চিকিৎসা, সন্তানদের শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই সহায়তা শ্রমিকদের দুর্দিনে সরকারের পাশে থাকার প্রতীক। রিকশাচালক থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশার শ্রমিকরা কঠিন রোগে আক্রান্ত হলে নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদন করে এ সহায়তা পেতে পারেন। জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের মাধ্যমে আবেদন করলে যাচাইপ্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত হবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আর্থিক সংকটের কারণে কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা যেন বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। শ্রমিক পরিবারের মেধাবী সন্তানদের ফলাফল ও যোগ্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। উপযুক্ত শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ব্যয় বহনেও সহযোগিতা করা হবে। যাতে তারা ভবিষ্যতে চিকিৎসক, প্রকৌশলীসহ দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।’
সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মো. ফরহাদ সিদ্দিকী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শামসুল ইসলাম।
এ সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শ্রমিক ও শ্রমিক পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।