• ৪ঠা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রত্যাখ্যান করল জাতীয় ছাত্রশক্তি, সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি

Usbnews.
প্রকাশিত নভেম্বর ৩, ২০২৬
সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রত্যাখ্যান করল জাতীয় ছাত্রশক্তি, সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটিকে ‘প্রহসন’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। সংগঠনটি বলেছে, গণভোটের রায় অনুযায়ী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। একই সঙ্গে বিশেষ কমিটির কোনো মতবিনিময়, শুনানি বা পরামর্শ সভায় অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি আবু বাকের মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক তাহমীদ আল মুদ্দাসসীর চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত গণভোটে দেশের মানুষ স্পষ্ট রায় দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সংশোধিত গেজেট অনুযায়ী, ৪ কোটি ৭২ লাখের বেশি মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। তারা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫-এর পক্ষে সম্মতি দিয়েছেন। ওই আদেশ অনুযায়ী সংবিধান পরিবর্তনের পথ হলো সংবিধান সংস্কার পরিষদ। জনগণ ভোটের মাধ্যমে সংবিধান পরিবর্তনের পদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়েছে। এ বিষয়ে নতুন করে দর-কষাকষির সুযোগ নেই।

২৪-এর রাজাকারকে ফুল দিয়ে বরণ করল ৭১-এর রাজাকার: রাশেদ খাঁন
নেতারা অভিযোগ করেন, জনগণের সেই রায় পাশ কাটিয়ে ক্ষমতাসীন দল সংসদে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত একটি বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। জনগণ যেখানে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে, সেখানে সংশোধন কমিটি গঠনের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা। তাদের দাবি, গণরায়ের পরিবর্তে দলীয় সুবিধা অনুযায়ী সংবিধানে কাটছাঁটের চেষ্টা জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিশেষ কমিটিতে কারা রয়েছেন, কতটি বৈঠক হয়েছে কিংবা কী প্রস্তাব এসেছে, তা জাতীয় ছাত্রশক্তির কাছে বিবেচ্য নয়। যে কাঠামোর ভিত্তিই গণরায়বিরোধী, সেই কাঠামোর মধ্যে আলোচনা করে প্রকৃত সংস্কার সম্ভব নয়। ভুল প্রক্রিয়ায় সঠিক সংবিধান প্রণয়ন করা যায় না।

এ অবস্থায় তিন দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। দাবিগুলো হলো- তথাকথিত সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি অবিলম্বে বাতিল করা এবং ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কোনো সংশোধনী বিল না আনা; গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করা এবং ওই পরিষদের মাধ্যমেই জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন করা।

বিবৃতিতে নেতারা স্পষ্ট করেন, জাতীয় ছাত্রশক্তি সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির কোনো মতবিনিময়, শুনানি বা পরামর্শ সভায় অংশ নেবে না।