• ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

লোহিত সাগর ব্যবহার করছে না জাহাজ সংস্থাগুলো, বিমার মূল্যও অনেকগুণ বেড়েছে

usbnews
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২১, ২০২৩
লোহিত সাগর ব্যবহার করছে না জাহাজ সংস্থাগুলো, বিমার মূল্যও অনেকগুণ বেড়েছে
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হাউছিদের আক্রমণের কারণে লোহিত সাগর ব্যবহার করছে না জাহাজ সংস্থাগুলো। যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্কটের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

৩ ডিসেম্বর হাউছিরা ইয়েমেনের কাছে লোহিত সাগরে কয়েকটি পণ্যবাহী মার্কিন জাহাজে আক্রমণ চালায়। এরপরেই বেশিরভাগ বাণিজ্যিক জাহাজ সংস্থা লোহিত সাগরের নৌ-পথ এড়িয়ে অন্য পথ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

এশিয়া থেকে ইউরোপের পথে লোহিত সাগর হলো সবচেয়ে সহজ নৌ-পথ। লোহিত সাগর থেকে ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে সুয়েজ খাল হয়ে এই পথ। এটি এড়াতে হলে আফ্রিকায় ঢুকতে হবে। বস্তুত, আফ্রিকার ওই ঘুরপথেই আপাতত চলাচল করছে বেশিরভাগ পণ্যবাহী জাহাজ। কেপ অফ উড হোপ হয়ে তারা এশিয়ার পথ ধরছে।

এর ফলে জাহাজগুলোর চলাচলের সময় অন্তত এক সপ্তাহ বেড়ে গেছে। যেতে হচ্ছে অতিরিক্ত তিন হাজার ৫০০ নটিকাল মাইল। যা জাহাজ চলাচলের খরচ অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। বস্তুত, সুয়েজ খাল দিয়ে বিশ্বের ১২ শতাংশ বাণিজ্য সঞ্চালিত হয়। ওই ব্যস্ত পথ এখন কার্যত খালি।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এই পরিস্থিতি যদি চলতে থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে জিনিসের দাম ভয়াবহভাবে বেড়ে যাবে। সাংহাই থেকে রোটারডাম যদি কেপ অফ গুড হোপ হয়ে যেতে হয়, তবে জাহাজের তেলের দামই এক মিলিয়ন ডলার বেশি পড়ে। পণ্যসংস্থাগুলো স্বাভাবিকভাবেই ওই ক্ষতি নিজেদের কাঁধে রাখবে না। তারা পণ্যের ওপর ওই দাম ধার্য করবে। ফলে জিনিসের দাম ইতোমধ্যেই বাড়তে শুরু করেছে।

শুধু তাই নয়, এই নৌ-পথে যাত্রা করা জাহাজগুলোর বিমার মূল্যও অনেকগুণ বেড়ে গেছে। কোপেনহাগেনের একটি সংস্থার বাজার বিশেষজ্ঞ জানায়, ‘জাহাজের এই অন্য রাস্তা নেয়া আন্তর্জাতিক বাজারে ইতোমধ্যেই প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।’