ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ভারী বৃষ্টিতে বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়শিবিরগুলো প্লাবিত হয়েছে। এতে বন্যাপ্রবণ এলাকায় ও ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে আশ্রয় নেওয়া পরিবারগুলো ‘তাৎক্ষণিক ঝুঁকিতে’ রয়েছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। খবর আনাদোলুর।
শনিবার জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় দপ্তর (ওসিএইচএ) এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, গাজার ২১ লাখ বাসিন্দার অধিকাংশই এখনো বাস্তুচ্যুত। তাদের অনেকেই জরাজীর্ণ তাবুতে বসবাস করছেন, যেগুলো প্রতিকূল আবহাওয়া মোকাবিলায় পর্যাপ্ত সুরক্ষা দিতে পারছে না।

ওসিএইচএ বলেছে, ‘ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং আরো খারাপ আবহাওয়ার কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’
সংস্থাটি জানায়, মানবিক সহায়তাকারী সংগঠনগুলো জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তায় কাজ শুরু করেছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় মজুত সামগ্রী অপর্যাপ্ত।
ওসিএইচএর ভাষ্য, কয়েক মাস ধরে অর্থায়নে ঘাটতি এবং বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে আগাম প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে শীতকালীন প্রয়োজনীয় সামগ্রী, ভারী যন্ত্রপাতি, ইঞ্জিন অয়েল ও খুচরা যন্ত্রাংশ দ্রুত গাজায় প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। এসব সরঞ্জাম মানবিক সহায়তায় ব্যবহৃত যানবাহন ও জেনারেটর সচল রাখতে প্রয়োজন।
বিবৃতিতে ওসিএইচএ আরো বলেছে, গাজায় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে জরুরি ভিত্তিতে আরো অর্থায়ন প্রয়োজন।