আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির চেয়ারম্যান ও ফোবানা’র সাবেক চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান সালুর ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে চেয়ারম্যান গিয়াস আহমেদ নেতৃত্বাধীন ফোবানা’র স্টিয়ারিং কমিটি আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন। রোববার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের একটি রেষ্টুরেন্টে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ফোবানা’র সাবেক চেয়ারম্যান ডা. মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল ও সভা পরিচালনা করেন গিয়াস আহমেদ। অনুষ্ঠানে দোয়া মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন মওলানা ড. সৈয়দ মোতায়াক্তিল রব্বানী। এর আগে নাতে রাসুল (সা:) পাঠ করেন সৈয়দ মুসতাইন বিল্লাহ রব্বানী এবং পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হাফেজ কাওসার আহমেদ। দোয়া মাহফিলে মরহুম সালু’র বিদেহী আত্নার মাগফেরাত ও পরকালে শান্তি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের শোক সইবার শক্তি কামনা করা হয়।
আলোচনা সভায় স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন প্রবীণ সাংবাদিক ও সাপ্তাহিক আজকাল’র প্রধান সম্পাদক মনজুর আহমেদ, মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন ইউএসএ’র সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক মইনুদ্দীন নাসের, আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির সেক্রেটারী জেনারেল সৈয়দ টিপু সুলতান, সিনিয়র সাংবাদিক মাহমুদ খান তাসের, সাপ্তাহিক প্রথম আলো সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মশিউর রহমান ও মোহাম্মদ সেলিম, সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরণ, সাপ্তাহিক হককথা সম্পাদক এবিএম সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিশিষ্ট সাংবাদিক রিমন ইসলাম, ইমরান আনসারী, ফটো সাংবাদিক নিহার সিদ্দিকী, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রহীম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমীন সিদ্দিকী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল হক, বাংলাদেশী-আমেরিকান সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী, ফোবানা’র স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরহাদ খন্দকার, কিউ জামান, ওয়াহিদ কাজী এলিন, মোহাম্মদ সাদেক খান, নজরুল একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম দুলাল, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট তৈমুর জাকারিয়া রুমি প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে মরহুম আতিকুর রহমান সালু’র জীবনী ও জীবনকর্ম নিয়ে একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের নিউজার্সী রাজ্যে বসবাসকারী সাবেক ছাত্রনেতা, বিশিষ্ট সংগঠন, রাজনীতিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিকুর রহমান সালু ক্যান্সার পরবর্তী নিমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার স্থানীয় সময় ভোর পৌনে ৫টার দিকে নিউজার্সীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যা, নাতি সহ বহু আত্নীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী ও অসংখ্য রাজনৈতিক কর্মী-ভক্ত রেখে গেছেন। পরদিন বুধবার নিউজার্সীতেই তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।