‘ছাত্রলীগের অনুপ্রবেশকারীরা আন্দোলনকে ভিন্নখাতে নিতে রেজিস্ট্রার অফিস ভাঙচুর চালিয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই হামলার সাথে জড়িত না। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাব।’ এমন ঘোষণা দিয়েছেন জাবি কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আরিফ সোহেল। এছাড়াও তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হল ত্যাগের যে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষার্থীরা সেটা প্রত্যাখান করেছে।’ বুধবার সকাল ১০ টায় হল বন্ধের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডাকে। দুপুর সাড়ে ১২টায় হল বন্ধের ঘোষণা আসে। বিকাল চারটার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার জন্য বলা হয়। এসময় উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রার ভবনের নিচতলা ভাঙচুর চালায়। এতে কয়েকজন শিক্ষক ও সাংবাদিক আহত হয়েছেন। এসময় আন্দোলনকারীরা ভিসিসহ অন্যান্য শিক্ষকদের রেজিস্ট্রার ভবনে অবরুদ্ধ করে রাখে।
অন্য সমন্বয়ক আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের দাবি জানিয়ে এসেছি। আমাদের কেউই ভাঙচুরের সাথে জড়িত না।
ছাত্রলীগ তাদের অনুসারীদের দিয়ে এই ভাঙচুর চালিয়েছে। আমরা এর দায়ভার গ্রহণ করবো না।
এদিকে, ক্যাম্পাসে দুই শতাধিক পুলিশ প্রবেশ করেছে। ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অফস ও ট্রাফিক ) মো. আব্দুল্লাহ হিল কাফী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতিতে ক্যাম্পাসের জানমাল রক্ষা ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন বিঘ্নিত না হয় এজন্য আমরা এসেছি।