• ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২১শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

‘প্রতিবাদ করলেই বিভিন্ন ট্যাগ (তকমা) লাগানো হয় , সরকার এ পুলিশের বিচার করতে পারবে না: শিক্ষকদের সমাবেশে বক্তারা

usbnews
প্রকাশিত আগস্ট ১, ২০২৪
‘প্রতিবাদ করলেই বিভিন্ন ট্যাগ (তকমা) লাগানো হয়  , সরকার এ পুলিশের বিচার করতে পারবে না: শিক্ষকদের সমাবেশে বক্তারা
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

আজ বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সময় বেলা ১১টার দিকে বৃষ্টির মধ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে নিপীড়নবিরোধী শিক্ষকদের সমাবেশ শুরু হয়। বৃষ্টির কারণে শুরুতে অল্পসংখ্যক শিক্ষক–শিক্ষার্থী সমাবেশে অংশ নিলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অনেকেই জড়ো হতে থাকেন।

শিক্ষকেরা আরও বলেন, ‘প্রতিবাদ করলেই বিভিন্ন ট্যাগ (তকমা) লাগানো হয়। এটা বন্ধ করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অবশ্যই খুলে দিতে হবে। হত্যাকাণ্ডের বিচার এ সরকার করবে না। কারণ, তারা নিজেরাই খুনি।’

নিপীড়নবিরোধী শিক্ষক সমাবেশে বক্তৃতা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন, আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল, ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম ও পপুলেশনস সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক মইনুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাসিরউদ্দিন আহমেদ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ওয়াসিমা ও বায়েজিদ ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোশরেফা অদিতি হক, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিউপি) শিক্ষক ইমরুল আজাদ, নর্থ সাউথের শিক্ষক রিয়াসাত খান প্রমুখ।

শিক্ষকেরা সমাবেশে থেকে কয়েকটি দাবি জানিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, হত্যাকাণ্ডের বিচার ও আটক শিক্ষার্থীসহ অন্যদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। কারফিউ তুলে নিতে হবে। ব্লক রেইডের নামে গ্রেপ্তার বন্ধ করতে হবে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে।

সমাবেশ থেকে শিক্ষকেরা আগামীকাল শুক্রবার বেলা ৩টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে ‘দ্রোহযাত্রা কর্মসূচি’ ঘোষণা করেছেন। তাঁরা দ্রোহযাত্রা নিয়ে প্রেসক্লাব থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যাবেন। এতে অংশ নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রকৌশলী, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষকে আহ্বান জানান তাঁরা।