• ৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২০শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বানভাসি মানুষের জন্য অফুরান ভালোবাসা : মসজিদে হিন্দুদের আশ্রয় , পুরো জাতির হাতেগোনা কিছু লোক ছাড়া সবাই স্বেচ্ছাসেবক

usbnews
প্রকাশিত আগস্ট ২৩, ২০২৪
বানভাসি মানুষের জন্য অফুরান ভালোবাসা : মসজিদে হিন্দুদের   আশ্রয় , পুরো জাতির হাতেগোনা কিছু লোক ছাড়া সবাই  স্বেচ্ছাসেবক
নিউজটি শেয়ার করুনঃ

এমন একটা দেশ সবাই আশা করেছিলাম যে একজনের বিপদে অন্য একজন নিজের মনে করে এগিয়ে আসবে। এই দেশ বাংলাদেশ। ধন্যবাদ সবাই কে।

দুর্যোগ–দুঃসময়ে ঐক্যবদ্ধভাবে বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়ানোর মহৎ গুণটি এ দেশের মানুষ রপ্ত করেছেন অনেক আগেই। সিডর, আইলা থেকে শুরু করে বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, শৈত্যপ্রবাহ কিংবা অগ্নিকাণ্ড, ভবনধস এমনকি মহামারির সময় সর্বস্তরের মানুষ আপনাপন সাধ্যানুযায়ী মানবিক কাজে সক্রিয় থেকেছেন। সবাই মিলে দুর্যোগ অতিক্রম করে জীবনের বুনিয়াদ অব্যাহত রাখতে অবদান রেখেছেন।

May be an image of 1 person, helicopter and text

অনেকে নানাভাবে সহায়তা করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ত্রাণকেন্দ্র খোলা হয়েছে বলে পোস্ট দিয়েছেন সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেখানে ১৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা তহবিল ও ত্রাণসামগ্রী পাঠানো হয়েছে বলে তিনি ফেসবুকে জানিয়েছেন।

এক নবজাতককে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাপানিবন্দীদের উদ্ধারের পাশাপাশি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা

পানিবন্দীদের উদ্ধারের পাশাপাশি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা

May be an image of 3 people

বিজিবির  উদ্যোগে  বন্যাদুর্গত অসহায় মানুষদের উদ্ধার তৎপরতা, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ ও চিকিৎসাসেবা প্রদান

 

May be an image of 9 people, helicopter and text

সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বন্যার্তদের ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা দেবেন যেভাবে

বন্যার্তদের সহযোগিতায় এক দিনের বেতন দিলো সেনাবাহিনী

সেনাবাহিনীর সকল পদবির সেনাসদস্যদের একদিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ বন্যার্তদের সহযোগিতায় প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আইএসপিআর।
আইএসপিআর জানায়, সাম্প্রতিক ফেনী, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জে চলমান ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে মানবতার সেবায় এ অর্থ প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, বন্যা কবলিত এলাকায় সেনাসদস্যরা সক্রিয় ভূমিকা পালনের পাশাপাশি একটি মহতি উদ্যোগে সরাসরি সম্পৃক্ত হলো।
সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বন্যার্তদের ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা দেবেন যেভাব: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বন্যার্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের লক্ষ্যে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা যাবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আইএসপিআর।

May be an image of 3 people and helicopter
আইএসপিআর জানিয়েছে, ঢাকায় ত্রাণসামগ্রী প্রদানের জন্য সেনাবাহিনী ত্রাণ বিতরণ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র, লজিস্টিকস এরিয়া, ঢাকা সেনানিবাসে যোগাযোগ করুন। স্থান- সেন্ট্রাল অর্ডিন্যান্স ডেপো (সিওডি), মিলিটারি উইং (হোটেল রেডিসন ব্লু সংলগ্ন)। যোগাযোগের নম্বর – ০১৭৬৯-০৫১৮১৯, ০১৭৬৯-০১৩৮৩২, ০১৭৬৯-০১৩৫৩০ ও ০১৭৬৯-০১৩৬০৪।
আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ‘লজিস্টিকস এরিয়া রিলিফ ফান্ড’ হিসাব নম্বর ০০১৮-০২১০০১০১১০, দ্যা ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, রেডিসন ওয়াটার গার্ডেন হোটেল শাখার অনুকূলে অনুদান প্রদান করতে পারবেন অথবা বিকাশের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিকাশ নম্বর ০১৭৬৯০১৩৮৫৮। প্রয়োজনে যোগাযোগের নম্বর- ০১৭৬৯-০১৩৬০৪, ০১৭৬৯-০১৩৫৩০। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সরাসরি বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা প্রদানে আগ্রহী হলে নি¤œলিখিত নম্বরে যোগাযোগ করুন- ফেনী : ০১৭৬৯-৩৩২০৩২, ০১৭৬৯-৩৩২১৭৮। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন : ০১৭৬৯-২৪৪০১২; সীতাকুন্ড-মীরসরাই: ০১৭২৮-২০২৬৭৭, ০১৭৬৯-২৪২১৩২, ০১৭৬৯-২৪২১২৮; খাগড়াছড়ি : ০১৭৬৯-৩০২৩৪২, ০১৭৬৯-৩০২৩৩৬; ফটিকছড়ি : ০১৭৬৯-২৭২৩৪২, ০১৭৬৯-২৭২৩৩৬;
* মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ : ০১৭৬৯১৭০০০৬। খাদ্য সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে বিস্কুট, চিড়া, গুড়, খেজুর, বান ও পাউরুটি, নুডুলস, খাবার স্যালাইন, গুঁড়া দুধ, চিনি ও খাবার পানি এবং প্রয়োজনীয় দ্রব্য হিসেবে দিয়াশলাই ও মোমবাতিকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে আইএসপিআর।

 

May be an image of 1 person and body of water

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘লজিস্টিকস এরিয়া রিলিফ ফান্ড’, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পক্ষ থেকে ফেসবুকে ত্রাণ সংগ্রহের কাজ চলছে বলে আহ্বান জানানো হয়েছে। বিমান ও নৌবাহিনীরও ত্রাণকাজের এমন উদ্যোগ রয়েছে।

May be an image of one or more people and text

আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন তাদের বিশাল স্বেচ্ছাসেবক নিয়ে ট্রাক ভর্তি সহায়তা সহ কাজ করছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে ধর্ম বর্ণ বয়স নির্বিশেষে সবাই নেমেছে সহায়তা কাজে। এটাই আমাদের বাংলাদেশ। এখানে নেই ব্যাক্তি পূজার কারণে ভাঙ্গন।

 

May be an image of 4 people

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুহাম্মদ গোলাম রব্বানী এসেছেন স্বেচ্ছাসেবা দিতে। একজন বয়োজ্যোষ্ঠ শিক্ষক আমাদের হাতে হাত মিলিয়ে ঘাম ঝরাচ্ছেন, এতে আমরা উদ্দীপিত এবং সম্মানিত বোধ করছি : আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন

 

May be an image of 3 people, grass and text

যখন মানুষের পাশে দাঁড়াবার ডাক আসে, তখন শারীরিক অক্ষমতাও ঠুনকো হয়ে যায়।

দেশের কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে চলা ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য-সহায়তা প্রদানের জন্য অনেকেই আগ্রহ প্রকাশ করছেন। বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই মহতী আগ্রহকে স্বাগত জানিয়েছে সরকার।

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেছেন, যেসব ব্যক্তি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য-সহায়তা দিতে চান, তারা প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের অ্যাকাউন্টে সহায়তার অর্থ পাঠাতে পারবেন।

হিসাবের নাম : প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল

ব্যাংক : সোনালী ব্যাংক কর্পোরেট শাখা, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়

হিসাব নম্বর : ০১০৭৩৩৩০০৪০৯৩

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এ তহবিলের অর্থ ত্রাণ ও কল্যাণ কাজে ব্যয় করা হয়। প্রেরিত অর্থ সরকার কৃতজ্ঞতার সঙ্গে গ্রহণ করে এর যথাযথ হিসাব সংরক্ষণ করবে।

বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে ভয়াবহ হয়ে উঠছে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি। ১০ জেলায় বন্যাকবলিত অন্তত ৪২ লাখ মানুষ। আকস্মিক বন্যায় ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট তলিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। অনেকেই ঘর থেকে কিছু বের করতে না পেরে খালি হাতে ছুটে গেছেন আশ্রয়কেন্দ্রে। দুর্গত এলাকায় এখন দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকট।

স্থানীয়রা বলছে, স্মরণকালে এমন ভয়াবহ বন্যা দেখেননি তারা। দুর্গত এলাকাগুলোতে সশস্ত্র বাহিনীর সহযোগিতায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ বন্যায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর ৩ হাজার ১৬০টি কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার মানুষ।

May be an image of 1 person and body of water

দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে দ্বিতীয় দিনের মতো ‘গণত্রাণ’ কর্মসূচিতে ত্রাণ পৌঁছে দিতে হাজারো মানুষের ঢল নেমেছে। ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে শুরু করে, ট্রাক, সিএনজি, রিকশা বা হাতে করে অসংখ্য মানুষ ত্রাণ নিয়ে আসছেন। ব্যাপকভাবে ত্রাণ দিতে আসার এসব দৃশ্য ভাইরাল সামাজিক মাধ্যমে।

হিসেব অনুযায়ী, শুক্রবার (২৩ আগস্ট) বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৩৯ লাখ ৩৫ হাজার ২৭২ টাকা নগদ সংগ্রহ করা হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে বিভিন্ন পরিবহনে করে বন্যার্তদের জন্য খাবার, জামা-কাপড়, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে আসছেন। অসংখ্য মানুষ তাদের ব্যক্তিগত গাড়িতে করে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিতে এসেছেন।

বিপুল পরিমাণ ত্রাণ সংগ্রহে শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীকে বিরামহীনভাবে কাজ করতে দেখা যায়। মাঝেমধ্যে ত্রাণের বহর খালি করতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

দিনভর বিপুল পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী আসায় টিএসসি ক্যাফেটেরিয়া ও গেমস রুম বিকেলেই পূর্ণ হয়ে যায়। পরবর্তীতে টিএসসির বারান্দায় ত্রাণ সামগ্রী স্তূপ করে রাখা শুরু হয়।এটি বদলে যাওয়া বাংলাদেশের ছবি। টিএসসিতে ত্রাণ জমা দিতে যাওয়া মানুষের ভিড়! কতিপয় লুটেরা এই সোনার বাংলাদেশকে লুটপাট করে ধ্বংস করে দিচ্ছিল। সহস্র প্রাণের বিনিময়ে তরুণরা লুটেরাদের তাড়িয়ে ফিরিয়ে এনেছে সোনার বাংলাদেশ।
এই বাংলাদেশ আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশ নিয়ে আমরা বিশ্বের বুকে গর্ব করি মাথা উঁচু করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে গণত্রাণ কর্মসূচিতে এত মানুষ এত ত্রাণ নিয়ে আসছেন যে ভলান্টিয়াররা হিমসিম খাচ্ছে এগুলোর হিসাব রাখতে। একদিনে জমা হয়েছে প্রায় ৮৬ লাখ টাকা (রাত ৮টা পর্যন্ত)।

 

ওদিকে ত্রাণ নিয়ে আসা গাড়ির কারণে সৃষ্টি হয়েছে লম্বা জ্যামের। এমন জ্যামে বিরক্ত লাগে না, গর্ব হয় ভাই গর্ব।জাতীয় এই দুর্যোগ আমরা মোকাবেলা করবো হাতে হাত রেখে, সৃষ্টি করবো ঐক্যের এক অনন্য নজির। যত বিপদ তত ঐক্য।

এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে চান্দেরবাগ গ্রামের কয়েকটি হিন্দু পরিবারকে মসজিদে থাকার জন্য ব্যবস্থা করে দিয়েছে

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার ( হিন্দু) অধ্যুষিত একটি গ্রাম নাম চান্দেরবাগ। এটি উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউপির ডাকাতিয়া নদীর পূর্ব পাশে পার্শ্ববর্তী চৌদ্দগ্রাম উপজেলার পশ্চিম পাশে সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। ওই গ্রামে ৫০০ লোকের বসবাস। এখানে দুটি পরিবার মুসলিম। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পুরো গ্রামটি ডুবে যায়।

আশেপাশে আশ্রয় কেন্দ্র না থাকায় এখানকার হিন্দুরা ওই ইউপির পার্শ্ববর্তী পিপড্ডা গ্রামের মসজিদে আশ্রয় নিয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা থেকে আলাদা হওয়ায় এই গ্রামের লোকজন একটু অবহেলিত। তাদের পেশা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা। টানা ৮ দিন অবিরাম বৃষ্টি ও ডাকাতিয়া নদীর পানি বাড়ায় গ্রামটি ডুবে যায়। গ্রামের লোকজন আশেপাশে কোন আশ্রয় কেন্দ্র না পেয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের মসজিদে অবস্থান করছে। আরো কিছু লোক বিভিন্ন বাড়ির ছাদে রয়েছেন। সরকারি কোনো সহায়তা এখনো পান নাই তারা।

ওই গ্রামের বাসিন্দা গিতা রানী বলেন, প্রতিবছর ডাকাতিয়া নদীতে পানি বাড়ে আবার চলে যায়। ওই গ্রামে রাস্তা সমান পানি হয়। কিন্তু কখনো ঘরে পানি ঢুকেনি। এবার হুর হুর করে পুরো গ্রাম ডুবে গেছে। কোনরকম জীবন নিয়ে এই মসজিদে অবস্থান করছি। আশেপাশের কয়েকজন মানুষ আমাদেরকে শুকনো কিছু খাবার দিয়েছে। সরকারিভাবে কোন সহায়তা পায়নি। আগ থেকে আমাদের গ্রামটি অবহেলিত। কিছুই বের করতে পারে নাই সব পানিতে ডুবে গেছে। আল্লাহ বা ভগবান আমাদের দিকে চাইলো না, এ দুঃখী মানুষের দুঃখই রয়ে গেল। বাকিরা অন্যান্য স্থানে ছাদে অবস্থান করছেন।