বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলমের বহরের একটি গাড়ি দুর্ঘটনা পড়েছে। এতে গাড়িটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন গাড়ি বহরে থাকা কয়েক জন। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, চট্টগ্রামে নিহত অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের কবর জিয়ারত শেষে ফেরার পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি ইউনিয়নের হাজী রাস্তার মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। লোহাগাড়া থানার দায়িত্বরত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আলিম দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই ঘটনায় একটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। জিডির প্রক্রিয়া চলছে। তবে কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে তা জানাতে পারেননি এএসআই আলিম।
আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মো. তরিকুল ইসলাম জানান, শহীদ অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ ভাইয়ের কবর জিয়ারত করে ঢাকায় ফিরছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম। পথিমধ্যে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি ইউনিয়নের হাজী রাস্তার মোড়ে তাদেরকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

হাসনাতদের গাড়ি বহরে থাকা আহমদ উল্লাহ সাকিব নামে এক শিক্ষার্থী জানান, শহীদ এডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ ভাইয়ের কবর জেয়ারত করে ফেরার পথে আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি ইউনিয়নের হাজী রাস্তার মোড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সার্জিস আলমের গাড়ি বহরে ট্রাক চাপা দিয়ে হত্যা চেষ্টা করা হয়। আমরা বাইক নিয়ে আটকানোর চেষ্টা করলে, আমাদেরকেও চাপা দেয়।
হাসনাত-সারজিসকে হত্যাচেষ্টাকারী ড্রাইভার ও হেলপার আটক

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম দুই সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টা করা সেই ট্রাক ড্রাইভার ও হেলপারকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (২৭ নভেম্বর) রাতে চট্রগ্রামের লোহাগাড়া থানা পুলিশ তাদের আটক করে। তবে আটক সেই ড্রাইভার ও হেলপারের নাম পরিচয় জানা যায়নি।