২০২৬ বিশ্বকাপ উত্তর আমেরিকায়—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর মধ্যে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা এই মহাদেশের জন্য এক বিশাল আয়োজন। ধারণা করা হচ্ছে, ট্রাম্প বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার সম্মান পেতে পারেন, যেটি অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই, ২০২৬, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে। এমনটাই দাবি ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম ডেইলি মেইলের।
১৯৯৪ সালে সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল, এবং এবার তারা প্রথমবারের মতো কানাডা ও মেক্সিকোর সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজনের দায়িত্ব নিচ্ছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮ করা হয়েছে।
সৌদি আরব হবে কাতারের পর মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় দেশ, যারা বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ নভেম্বর-ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, গ্রীষ্মের তাপদাহের কারণে।
২০৩৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে সৌদি আরব। আয়োজনের একমাত্র প্রার্থী হওয়ায় মরুর দেশেই বিশ্বকাপ হচ্ছে তা মোটামুটি নিশ্চিত। তবে সম্ভবত সময় পরিবর্তন হবে। কারণ হিসেবে ফিফার মূল্যায়ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, “স্থানীয় আবহাওয়ার কারণেই” এই টুর্নামেন্ট অক্টোবর থেকে এপ্রিলের মধ্যে অনুষ্ঠিত করতে। তবে এটি নিয়ে বিতর্ক হওয়ার কথা
ফিফা আগামী ১১ ডিসেম্বর ২০৩০ ও ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপের আয়োজকদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে। ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে স্পেন, পর্তুগাল, মরক্কো, আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে এবং প্যারাগুয়ে। এই আয়োজনে ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপন করা হবে।
সৌদি আরব ২০৩৪ সালের মধ্যে বেশ কয়েকটি নতুন স্টেডিয়াম তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ৩৫০ মিটার উচ্চতায় “স্টেডিয়াম ইন দ্য স্কাই,” যা নিওম শহরে নির্মিত হবে। তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও “মাঝারি ঝুঁকি” রয়েছে বলে ফিফার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।